প্রাচীন পৃথিবীর ১০টি আশ্চর্য স্থাপনা


আমাদের এই পৃথিবীটা যে সত্যিই সুন্দর তা একটু ভালো করে দেখলেই বোঝা যায়। সেই আদ্দিকাল থেকেই কতোই না অবাক করা আশ্চর্য অদ্ভুদ সব বিষয় আশয়, জিনিসপত্র পৃথিবীতে রয়েছে। এর কোনোটা প্রকৃতিই তার আজব খেয়ালে তৈরি করেছে আবার কোনো কোনোটি মানুষ তৈরি করেছে। শেষ কথা হলো, এসবের প্রত্যেকটিই মানুষের কাছে আজও বিস্ময়ের, আশ্চর্যের; যে রহস্য আজো উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। প্রকৃতির অদ্ভুত সব সৃষ্টি আর মানুষের বিচিত্র খেয়ালে পৃথিবী সবসময়ের জন্যই সুন্দর। মানুষ পৃথিবীতে যেসমস্ত আশ্চর্য রহস্যঘেরা জিনিস তৈরি করেছে তার অনেক গুলোই আজ আর নেই। এর কোনোটা ধ্বংস হয়ে গেছে আবার কোনোটাকে মানুষ নিজেই ধ্বংস করেছে।

বিজ্ঞানীরা মানুষের তৈরি এই সমস্ত আশ্চর্য জিনিসগুলোকে সময়ের হিসেবে কয়েকটি যুগে ভাগ করেছেন। এগুলো হলো, প্রাচীন যুগ, মধ্য যুগ এবং আধুনিক যুগ। আজকে আমরা প্রাচীন যুগের রহস্যঘেরা সেইসব আশ্চর্য নির্মাণের কথাই শুনবো। চলেন তাহলে সেই আর্শ্চয সুন্দর রোমাঞ্চকর প্রাচীন পৃথিবী থেকে খানিক বেড়িয়ে আসি।

পার্সিয়ান ভূগর্ভস্থ পানি পরিবহন ব্যবস্থা


পার্সিয়ান সভ্যতা (ইরান) ছিল অতীতের সব থেকে সমৃদ্ধ সভ্যতা, যা প্রতিষ্ঠিত ছিল হাজার বছরের উপরে। ততকালীন সময়ে তাদের আধুনিকতা, শিল্পচর্চা এবং উদ্ভাবন বিশেষ করে স্থাপনার ক্ষেত্রে আমাদের হতবাক করতে আজও বিন্দু মাত্র কার্পন্ন করে না। নিচের ছবিতে যে গর্ত গুলি দেখতে পাচ্ছেন, এই গর্তগুলির বয়স ২,৭০০ বছরের অধিক। এগুলিকে বলা হয় "Qanat" অর্থাৎ "চ্যানেল"। কিসের চ্যানেল এগুলি? ততকালীন সময়ে ভূগভীরের পানি বা কোন ঝড়নার পানি চাষ এবং পান করার জন্য পানি শহরে নিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে ব্যবহৃত হত এই পানির চ্যানেল গুলি।

প্রাচ্যের সিংহঃ একক বৃক্ষের ভাষ্কর্য



"প্রাচ্যের সিংহ" নামে পরিচিত এই ভাষ্কর্যের নির্মাতা "Dengding Rui Yao"। নির্মাতার নাম শুনে নিশ্চই বুঝে গেছেন এটি কোন দেশে স্থাপিত হয়েছে? না বুঝলে একটু অপেক্ষা করুন সব বলছি। ৫ মিটার উচু, ১৫ মিটার লম্বা এবং ৪ মিটার চওড়া এই ভাষ্কর্যটি স্থাপিত হয়েছে চায়নার বেইজিং শহরে। চাইনিজরা সিংহকে "শক্তি ও মহানতা" এর প্রতিক মনে করে, আর এ কারনেই এর স্থাপনা। চায়নার বেশির ভাগ মন্দিরের প্রবেশ দ্বারে সিংহ এর ভাষ্কর্য খুঁজে পাওয়া যায়।

ডায়নোসর আমলের মাছ



ডায়নোসর বিপুপ্ত হয়েছে সে তো শত বছর আগের কথা। কিন্তু আজ আপনাদের এমন এক মাছের সংগে পরিচয় করিয়ে দিব, যে মাছের বসবাস এই পৃথিবীতে সেই ডায়নোসর আমল থেকে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

শুকরের মাংস কেন খাবেন না?



আপনাদের সাথে অনেক সময় কত বিষয় নিয়েই তো আলোচনা করেছি। আজও করব তবে এমন একটা বিষয় নিয়ে যা নিয়ে আমাদের অনেকের মাঝেই বেশ বিতর্ক আছে। তার মধ্যে একটি হল 'শুকরের মাংস'। অনেকের মতে খাওয়া যায় আবার অনেকেই বলে খাওয়া যায় না। আজ আলোচনা হবে এ বিষয় নিয়েই।